Sunday, 20 September 2015

ঢাকায় ফিরেছেন দিতি

ঢাকায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিতি। টানা ৫০ দিন পর তার নিজ শহরে ফেরা। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চেন্নাই থেকে তিনি দেশে ফিরেছেন। ব্রেন টিউমারের অপারেশন করাতে গত ২৫ জুলাই দিতি চেন্নাই গিয়েছিলেন। ২৭ জুলাই চেন্নাইর মাউন্ট হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে ছিলেন এতদিন। এসময় তিনি চেন্নাই-এ পুত্র প্রান্ত আর কণ্যা লামিয়ার সঙ্গে বেশ আনন্দেই কাটিয়েছেন। ঘুরে বেড়িয়েছেন চেন্নাই এর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে। স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাও দেখেছেন।

ঢাকায় ফিরেছেন দিতি


ঢাকায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিতি। টানা ৫০ দিন পর তার নিজ শহরে ফেরা। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চেন্নাই থেকে তিনি দেশে ফিরেছেন। ব্রেন টিউমারের অপারেশন করাতে গত ২৫ জুলাই দিতি চেন্নাই গিয়েছিলেন। ২৭ জুলাই চেন্নাইর মাউন্ট হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে ছিলেন এতদিন। এসময় তিনি চেন্নাই-এ পুত্র প্রান্ত আর কণ্যা লামিয়ার সঙ্গে বেশ আনন্দেই কাটিয়েছেন। ঘুরে বেড়িয়েছেন চেন্নাই এর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে। 


স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাও দেখেছেন। সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে দিতি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জীবনের অন্যতম আনন্দের সময় কাটিয়েছি চেন্নাইয়ের দিনগুলোতে। ঢাকায় বসে চেন্নাইকে খুব মিস করবো।’ ঢাকায় ফেরার পর আবারও শ্যুটিং ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সবার দোয়ায় এখন বেশ সুস্থ আছি। তবে রেডিও থেরাপি দেওয়ার কারণে শরীরটা একটু দুর্বল এখনও। 


তাই আরও ১০/১৫ দিন বিশ্রামে থাকবো। তারপর না হয় শ্যুটিংয়ের কথা ভাববো।’ দিতি আরও জানান, ‘মূল চিকিৎসা শেষ হয়েছে। তবে তিন মাস পর নিয়মিত চেকআপের জন্য আবার চেন্নাই একবার যেতে হতে পারে।’ প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালে এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানের প্রথম কার্যক্রম থেকে নায়িকা হিসাবে নির্বাচিত হন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। 


এরপর অসংখ্য নাটক-সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অসুস্থ হওয়ার আগেও তিনি নিয়মিত নাটক-সিনেমায় কাজ করেছেন। এবারের ঈদে তার অভিনীত ‘রাজাবাবু- দ্য পাওয়ার’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: